Ticker

6/recent/ticker-posts

Advertisement

Responsive Advertisement

ভালোবাসার কষ্ট ভুলে যাবার পাঁচটি বৈজ্ঞানিক উপায় !!



ভালোবাসা ব্যাপারটি
দীর্ঘস্থায়ী হলেও
ভালোবাসার পাত্র-পাত্রীরা
সবসময় দীর্ঘস্থাযী হয় না। চলার
পথে আজকে যে মানুষটিকে
অনেক বেশি ভালোবাসছেন
আপনি, দুদিন পরে সেই হয়তো
হয়ে উঠবে আপনার কষ্টের কারণ।
এটা কেবল প্রেমিক-প্রেমিকার
ক্ষেত্রেই নয়, সত্যি জাগতিক আর
সব সম্পর্কের বেলায়ও। কিন্তু
কারো দেওয়া কষ্ট কে নিয়ে
পড়ে থাকলে তো জীবন
চলবেনা। আর তাই আর সবার মতন
কাছের মানুষের দেওয়া কষ্ট কে
ভুলতে হবে আপনাকেও। এগিয়ে
যেতে হবে সামনে। কিন্তু কী
করে ভুলে যাবেন আপনি এতদিন
ভালোবেসে আসা খুব আপন আর
প্রিয় মানুষটিকে?
জেনে নিন ভালোবাসার
মানুষটিকে দ্রুত ভুলে যাওয়ার
বৈজ্ঞানিক কিছু উপায়-
১. আদর্শ খুঁজে বের করুন
প্রতারণা কিংবা
ভালোবাসার মানুষটির কাছ
থেকে দূরে চলে আসবার কষ্ট টা
আপনার একার বলে মনে হলেও
বাস্তবে পৃথিবীর অধিকাংশ
মানুষই জীবনের কোন না কোন
সময়ে এই কষ্টের পথটা ধরে
হেঁটেছেন, হাঁটছেন এবং
হাঁটবেনও। সাইকোলজি টুডে
অনুসারে. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা
মতে নিজের পছন্দের মানুষের
কাছ থেকে আমরা ইচ্ছাশক্তি
নিজের ভেতরে নিয়ে নিতে
পারি। আর তাই এমন কোন আদর্শ
ব্যাক্তিকে খুঁজুন যে প্রতারণা
কিংবা এমন হাজারো কষ্টের
ভেতর দিয়ে গিয়েও উঠে
দাঁড়িয়েছে। থেমে তো
যায়ইনি, বরং এতটা শক্তি নিয়ে
এগিয়ে গিয়েছে যে তাকে
ছেড়ে যাওয়া মানুষগুলোকেই
পস্তাতে হয়েছে পরবর্তীতে।
চারপাশে না পেলে দেখুন
বিখ্যাত ব্যক্তিদের জীবন আর
নিজেকে তাদের জায়গায়
দাঁড় করিয়ে এগিয়ে যান
সামনে।
২. নতুন নেশা তৈরি করুন
নেশা শব্দটা নেতিবাচক শুনতে
হলেও আপনার ভালোবাসার
মানুষটির প্রতি আপনার দূর্বলতার
কারণ কিন্তু এটাই। আর তার প্রতি
এই নেশাকে কাটিয়ে উঠতে
নতুন কোন নেশাকে আপন করে
নিন। তবে সেটা মাদক কিংবা
হঠাৎ করে বেছে নেওয়া কোন
মানুষ নয়। বরং নতুন কোন শখ,
লোখালেখি, সমাজকল্যান,
ফেলে আসা নানারকম কাজ
যেমন- রান্না, সাঁতার কাটা,
সাইকেল চালানো, ছবি আঁকা-
এসব কিছুকে আপন করে নিন। নতুন
কোন লক্ষ্যকে খুঁজে নিন। কোন
কিছু নেই এমন ভাবটা ফেরত এলে
সেই নতুন লক্ষ্যকে নিয়ে মেতে
উঠুন, এমনটাই পরামর্শ দিচ্ছে
সাইকোলজি টুডে।
৩. নিজের যত্ন নিন
মানসিক চাপ মানুষের ভেতরে
হতাশা, অস্থিরা, উদ্বিগ্নতা
তৈরি করে। ফলে মানুষ একটা
খুঁটির আশ্রয় চায়। অনেকটা
ভেসে যাওয়া মানুষের একটা
খড়কুটো আঁকড়ে ধরবার মতন। আর
এটাকেই মনোবিজ্ঞানীরা
বলে- কনট্যাক্ট কমফোর্ট । এসময়
সম্পর্কের বাজে দিকগুলো
মাথায় না এসে প্রাধান্য পায়
ভালো সময়গুলো। ফিরে যেতে
ইচ্ছে করে আগের সময়টাতে।
পেতে ইচ্ছে করে আগের যত্ন
কিংবা ভালোবাসাটা। আর
এই সমস্যা থেকে দূরে যেতে
চেষ্টা করুন মানুষের সাথে
মিশতে। বন্ধুদের আড্ডায় যেতে।
বান্ধবীর সাথে ঘুরে বেড়াতে।
নিজেকে বোঝাতে চেষ্টা
করুন যে আপনার যত্ন নেওয়ার
আরো অনেকে আছে।
৪. হোয়াইট বিয়ার এফেক্ট
মনোবিজ্ঞানীদের মতে একজন
মানুষ সিগারেট ছাড়তে
চাইলে সেটা তাকে আরো
বেশি ধরে বসে, চকলেটে আসক্ত
কেউ কম খেতে চাইলে আরো
বেশি চকলেটের প্রতি মোহ
বাড়ে তার। আর এসবের কারণ
হচ্ছে এই হোয়াইট বিয়ার এফেক্ট
। সাদা ভাল্লুককে যতটাই নেই
নেই মনে করা হোক সেটা আরও
বেশি মনের ভেতরে চলে আসে।
ঠিক তেমনি ভুলতে চাইছেন এমন
কাউকেও অতিরিক্ত সময়
ভোলার চেষ্টা করলে তাকে
আরো বেশি মনে পড়ে। তাই
হঠাৎ করে কাউকে জোর করে
ভুলতে চেষ্টা করবেন না। যদি
ভুলতে চাওয়া মানুষটির কথা
মনে পড়েই যায় তাহলে একদমই
চিন্তায় পড়বেন না। কারণ এটা
খুবই স্বাভাবিক। চিন্তা না
করে নিজের আর সব কাজ
ঠিকঠাকভাবে করতে থাকুন আর
কি কারণে সেই মানুষটিকে
ভুলতে চাইছেন আপনি সেই
বাজে অভিজ্ঞতাটির কথা
মনে করুন।
৫. নিজেকে সময় দিন
সাইকোলজিকাল সায়ন্স
জার্নালে অনুসারে আমাদের
জীবন থেকে ভালোবাসার
মানুষগুলোর প্রত্যাখ্যান
আমাদের হৃদপিন্ডের গতিকে
কমিয়ে দেয়। সায়েন্টিফিক
অ্যামেরিকান মতে এই কষ্টটা
কেবল আমাদের মনের নয়।
শরীরেরও। কেবল খুব
ভালোবাসার মানুষই নয়,
অচেনা কারো কাছ থেকে
পাওয়া বাজে ব্যবহারও
আমাদের মস্তিষ্কের কিছু
স্থানে আঘাত করে আর শরীরের
বিভিন্ন স্থানে তৈরি করে
ব্যথা। তাই খুব বেশি তাড়াহুড়ো
না করে নিজেকে সময় দিন।
শরীর আর মনকে সুস্থ হতে দিন।
বাকি সব এমনিতেই ঠিক হয়ে
যাবে।

Post a Comment

0 Comments